📍 বিরামপুর প্লাজা, সরকারি কলেজ রোড, বিরামপুর, দিনাজপুর📞 +880 1773 611 912✉️ infolabhotline@gmail.comFacebook YouTube

নতুন ই-পাসপোর্ট ও পাসপোর্ট নবায়ন (রি-ইস্যু)

নতুন ই-পাসপোর্ট ও নবায়নের আবেদন, ফর্ম পূরণ থেকে ফি জমা পর্যন্ত সহায়তা।

বিস্তারিত

বিদেশ ভ্রমণ, উচ্চশিক্ষা, চাকরি, চিকিৎসা কিংবা অন্যান্য প্রয়োজনে পাসপোর্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দলিল। বাংলাদেশে নতুন ই-পাসপোর্ট তৈরি অথবা পুরোনো পাসপোর্ট নবায়ন (রি-ইস্যু) করতে অনলাইনে আবেদন, নির্ধারিত ফি জমা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত এবং পাসপোর্ট অফিসে বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদানের ধাপগুলো সম্পন্ন করতে হয়।

আবেদন ফরম পূরণে ভুল, পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে অমিল কিংবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি এড়াতে শুরু থেকেই সতর্ক থাকা জরুরি।

ইনফোল্যাব কম্পিউটার থেকে ই-পাসপোর্টের আবেদন ফরম পূরণ, আবেদনপত্র প্রিন্ট, সরকারি ফি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে নির্দেশনা নিতে পারবেন।

১. ই-পাসপোর্ট আবেদনে যেসব সেবা পাবেন

  • নতুন ই-পাসপোর্টের অনলাইন আবেদন।

  • পুরোনো পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে রি-ইস্যু আবেদন।

  • পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই রি-ইস্যু আবেদন।

  • পাসপোর্টের তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা।

  • ৪৮ পৃষ্ঠা অথবা ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট নির্বাচন।

  • ৫ বছর অথবা ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট নির্বাচন, বয়স ও প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী।

  • সরকারি ফি ও ডেলিভারির ধরন নির্বাচন সম্পর্কে সহায়তা।

  • আবেদনপত্র, সারসংক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রিন্ট।

  • অনলাইন অথবা ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারি ফি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় সহায়তা।

কাগজপত্র ও ফি

২. ই-পাসপোর্ট আবেদনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

নতুন পাসপোর্টের জন্য

১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (ইংরেজি সংস্করণ/BRC)।

২. আবেদনকারীর সক্রিয় মোবাইল নম্বর ও প্রয়োজনীয় যোগাযোগের তথ্য।

৩. পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য; অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী।

৪. বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার সঠিক তথ্য।

৫. পেশা ও অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্যের প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে।

৬. সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অনাপত্তি সনদ (NOC), সরকারি আদেশ (GO) অথবা সংশ্লিষ্ট অবসরসংক্রান্ত নথি।

পাসপোর্ট নবায়ন বা রি-ইস্যুর জন্য

১. আগের পাসপোর্টের মূল কপি।

২. আগের পাসপোর্টের তথ্যসংবলিত পাতার ফটোকপি।

৩. জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ।

৪. পাসপোর্টের তথ্য পরিবর্তন করতে চাইলে পরিবর্তনের সমর্থনে প্রয়োজনীয় দলিল।

৫. সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য NOC/GO।

৬. আবেদনপত্রের সারসংক্ষেপ, পূরণ করা আবেদনপত্র এবং প্রয়োজনীয় পেমেন্ট স্লিপ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: আবেদনভেদে অতিরিক্ত কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে। পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার আগে সরকারি পোর্টালের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সাধারণভাবে ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্রে ছবি সংযোজন বা কাগজপত্র সত্যায়নের প্রয়োজন হয় না। তবে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে বয়সভেদে ছবি ও অভিভাবকের তথ্যসংক্রান্ত বিশেষ নিয়ম রয়েছে।

৩. বাংলাদেশে ই-পাসপোর্টের সরকারি ফি

নিচের ফি তালিকায় ১৫% ভ্যাটসহ বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট আবেদনের সরকারি নির্ধারিত ফি দেওয়া হলো।

৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট

মেয়াদ ও ডেলিভারিসরকারি ফি
৫ বছর — নিয়মিত৪,০২৫ টাকা
৫ বছর — জরুরি৬,৩২৫ টাকা
৫ বছর — অতি জরুরি৮,৬২৫ টাকা
১০ বছর — নিয়মিত৫,৭৫০ টাকা
১০ বছর — জরুরি৮,০৫০ টাকা
১০ বছর — অতি জরুরি১০,৩৫০ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট

মেয়াদ ও ডেলিভারিসরকারি ফি
৫ বছর — নিয়মিত৬,৩২৫ টাকা
৫ বছর — জরুরি৮,৬২৫ টাকা
৫ বছর — অতি জরুরি১২,০৭৫ টাকা
১০ বছর — নিয়মিত৮,০৫০ টাকা
১০ বছর — জরুরি১০,৩৫০ টাকা
১০ বছর — অতি জরুরি১৩,৮০০ টাকা

গুরুত্বপূর্ণ: ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট সাধারণত ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য। আবেদনকারীর বয়স, পাসপোর্টের ধরন ও প্রযোজ্য সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক মেয়াদ নির্বাচন করতে হবে। আবেদন করার আগে সরকারি ফি পোর্টালে পরিমাণ যাচাই করুন।

৪. পাসপোর্ট ফি জমা দেওয়ার নিয়ম

ই-পাসপোর্টের সরকারি ফি সাধারণত দুইভাবে জমা দেওয়া যায়।

অনলাইনে পেমেন্ট: সরকারি পোর্টালে প্রদর্শিত অনুমোদিত পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করা যায়। পেমেন্টের বিকল্প হিসেবে A-Challan, DGePay, ShurjoPay এবং পোর্টালে প্রদর্শিত অন্যান্য অনুমোদিত মাধ্যম থাকতে পারে।

ব্যাংকের মাধ্যমে পেমেন্ট: প্রযোজ্য ক্ষেত্রে A-Challan ব্যবহার করে সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ফি জমা দেওয়া যায়।

ফি জমা দেওয়ার পর পেমেন্টের রসিদ বা স্লিপ সংরক্ষণ করুন। পেমেন্টের সময় আবেদনসংক্রান্ত তথ্য ও টাকার পরিমাণ ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি।

৫. ই-পাসপোর্ট আবেদনের ধাপসমূহ

ধাপ ১: অনলাইন আবেদন

সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নতুন পাসপোর্ট অথবা রি-ইস্যুর জন্য আবেদন শুরু করুন।

ধাপ ২: ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ

NID বা জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী নাম, জন্মতারিখ, পিতা-মাতার তথ্য, ঠিকানা, পেশা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।

ধাপ ৩: পাসপোর্ট নির্বাচন

প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী পৃষ্ঠাসংখ্যা, মেয়াদ এবং ডেলিভারির ধরন নির্বাচন করুন।

ধাপ ৪: সরকারি ফি জমা

নির্ধারিত ফি অনলাইন অথবা অনুমোদিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় জমা দিন।

ধাপ ৫: আবেদনপত্র প্রিন্ট

আবেদনপত্র, আবেদন সারসংক্ষেপ, অ্যাপয়েন্টমেন্টের তথ্য এবং প্রযোজ্য পেমেন্ট স্লিপ প্রিন্ট করুন।

ধাপ ৬: পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিতি

নির্ধারিত সময় ও সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় মূল কাগজপত্রসহ উপস্থিত হন।

ধাপ ৭: বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান

পাসপোর্ট অফিসে ছবি, আঙুলের ছাপ ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করুন।

ধাপ ৮: আবেদন যাচাই ও পাসপোর্ট সংগ্রহ

প্রয়োজনীয় যাচাই ও অনুমোদন শেষে পাসপোর্ট প্রস্তুত হলে নির্ধারিত নিয়মে সংগ্রহ করুন।

৬. পাসপোর্ট পেতে কত দিন সময় লাগে?

সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টালে উল্লেখিত সাধারণ সময়সীমা:

  • নিয়মিত ডেলিভারি: বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের পর ১৫ কর্মদিবস বা প্রায় ২১ দিন।

  • জরুরি ডেলিভারি: বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের পর ৭ কর্মদিবস বা প্রায় ১০ দিন।

  • অতি জরুরি ডেলিভারি: বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের পর ২ কর্মদিবস।

এগুলো ঘোষিত সময়সীমা; যাচাই, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বা অন্যান্য কারণে প্রকৃত সময় বেশি লাগতে পারে। আবেদন জমা দেওয়ার আগে আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ডেলিভারি সময় নিশ্চিত করুন।

৭. আবেদন করার সময় যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

  • NID ও জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সঙ্গে আবেদনপত্রের তথ্যের মিল রাখুন।

  • নামের বানান, জন্মতারিখ, পিতা-মাতার নাম ও ঠিকানা ভালোভাবে যাচাই করুন।

  • ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করবেন না।

  • পুরোনো পাসপোর্টের তথ্য পরিবর্তন করতে হলে উপযুক্ত প্রমাণপত্র প্রস্তুত রাখুন।

  • আবেদন জমা দেওয়ার আগে ফরমের সব তথ্য পুনরায় পরীক্ষা করুন।

  • সরকারি ফি ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তিগত বা অননুমোদিত হিসাবে টাকা পাঠাবেন না।

  • পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার সময় মূল পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন।

  • পাসপোর্ট ইস্যু, পুলিশি যাচাই বা আবেদন অনুমোদনের নিশ্চয়তা কোনো বেসরকারি সেবাকেন্দ্র দিতে পারে না।

৮. কেন ইনফোল্যাব কম্পিউটার থেকে সেবা নেবেন?

ই-পাসপোর্টের আবেদনপ্রক্রিয়া সহজ করতে ইনফোল্যাব কম্পিউটার থেকে নিতে পারবেন প্রয়োজনীয় তথ্য ও আবেদনসংক্রান্ত সহযোগিতা।

  • অনলাইন ফরম পূরণে সহায়তা।

  • নতুন পাসপোর্ট ও রি-ইস্যু আবেদন।

  • সরকারি ফি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় সহায়তা।

  • আবেদনপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রিন্ট।

  • আবেদনকারীর তথ্য যাচাইয়ের বিষয়ে নির্দেশনা।

  • প্রয়োজন অনুযায়ী কাগজপত্রের তালিকা ও আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে পরামর্শ।

আমাদের সেবা আবেদনপ্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য। পাসপোর্ট ইস্যু ও অনুমোদনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের।

৯. সরকারি ওয়েবসাইট ও প্রয়োজনীয় লিংক

১০. সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ

নতুন ই-পাসপোর্ট অথবা পুরোনো পাসপোর্ট রি-ইস্যু করতে প্রথমে NID/জন্মনিবন্ধনের তথ্য অনুযায়ী অনলাইন আবেদন পূরণ করতে হবে। এরপর প্রযোজ্য সরকারি ফি জমা দিয়ে আবেদনপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রিন্ট করতে হবে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করতে হবে। যাচাই ও অনুমোদন শেষে পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যাবে।

কাগজপত্র ও ফি: প্রতিটি ক্ষেত্রে আলাদা হতে পারে। ফোন বা WhatsApp-এ জানান, কী কী লাগবে ও খরচ কত কাজ শুরুর আগেই জানিয়ে দেওয়া হবে।

আজই যোগাযোগ করুন

কোন কাগজ লাগবে বা খরচ কত, ফোন করে জেনে নিন।

ঠিকানা: বিরামপুর প্লাজা, সরকারি কলেজ রোড, বিরামপুর, দিনাজপুর
খোলার সময়: সকাল ৯:০০ – রাত ৯:০০ (শুক্রবার বন্ধ)
কল করুনWhatsApp